HomeUncategorizedঅবশেষে বিদায় নিচ্ছি প্রিয় পৃথিবী কে ছেড়ে। আমি জানি

অবশেষে বিদায় নিচ্ছি প্রিয় পৃথিবী কে ছেড়ে। আমি জানি

অবশেষে বিদায় নিচ্ছি প্রিয় পৃথিবী কে ছেড়ে। আমি জানি পরকালে আমার জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার চেয়ে পরকালের সেই শাস্তি আমি ভোগ করতে পারব। সবাই অবাক হবেন আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি দেখে। এছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। কারণ যাকে আমি এতদিন ভালবেসে এসেছি তাকে আমার কাছ থেকে অনেক দূরে নিয়ে চলে গেছে তার পরিবার.

তাহলে শুনুনঃ
মাঈশার সাথে আমার প্রতিটা মুহূর্ত সোনালী সময় ছিল। মাঈশা কে ভুলে থাকতে হলে আমার আত্মহত্যা করতে হবে। সে আমাকে খুব ভালবাসতো। তার মত আমি তাকেও ভালবাসতে পারিনি। তাকে ভুলে থাকতে হলে আমাকে আসলেই আত্মহত্যার পথ বেচে নিতে হবে। তার চেহারায় আমি আমার জন্য সত্যিকারের মায়া দেখেছি। মাঈশা কে সত্যি অনেক ভালবাসি। জানিনা কিসের বিনিময়ে মাঈশাকে পেতে হবে, তবুও শেষ অবদি চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি তাকে পাওয়ার জন্য। কিন্তু আমি ব্যর্থ!

২০২১ সালের ২৭ মে মাঈশার বড় আপুর শ্বশুড় বাড়ির আত্মীয়পরিজনদের কাছ থেকে মাঈশার জন্য বিয়ের প্রপোজাল আসে। যার সাথে মাঈশার বিয়ে ঠিক হওয়ার কথা তিনি বেশ স্মার্ট, শিক্ষিত এবং পারিবারিকভাবে বেশ টাকাওয়ালা। হয়তো তাঁর সাথে মাঈশার বিয়ে হলে দুজনই খুব সুখী হবে। কিন্তু আমার মাঈশার অন্য কারো সাথে বিয়ে হবে এটা আমি কখনো সহ্য করতে পারব না। কখনোই মেনে নিতে পারব না।

মাঈশা বাসায় বলেছে বিয়ে করবে না। কিন্তু তার বড় আপু মাঈশা কে চাপ দিল। বলল, তুমি এই বিয়েতে রাজি না হলে তোমার দুলাভাই আমাকে ডিভোর্স দিবে। এদিকে এই কথা শোনে মাঈশার আম্মু স্ট্রোক করার মত অবস্থায় পড়ে গেল। এর কারণে মাঈশা শেষ পর্যন্ত ছেলে পক্ষের সামনে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম যেতে রাজি হল। মাঈশার আপু তাকে বলেছিল, তুই শুধু দেখা দিলে হবে আর কিছু করতে হবে না।

এদিকে ৮জুন যেদন চট্টগ্রাম যাবে সেদিন সকালবেলায় মাঈশা আমার বাসায় এসে দেখা করেছে। এসে আমাকে বলেছিল, “বাবু আমার উপর ট্রাস্ট রাখো। আমি এই বিয়ে হতে দিব না। আমি তোমাকে ছাড়া কাউকে বিয়ে করব না। শুধু চট্টগ্রাম যাব আর ছেলে পক্ষের সবাইকে দেখা দিয়ে চলে আসব। এই অবস্থায় যদি তুমি যদি আমাকে সাহস না দাও তাহলে আমি ভেঙ্গে পড়বো। ” এ কথা বলে মাঈশা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে গেল, তুমি আমার হাত ছেড়ে দিও না। আমার পাশে থাকিও যেকোন সিচুয়েশানে। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি। আমি ছেলেটা তবুও মনকে মানাতে পারিনি। মনে হচ্ছিল মাঈশার সাথে কিছু একটা হবে যেটা আমাকে ধুকে ধুকে শেষ করে দিবে।

সেদিন (৮জুন, ২০২১) সন্ধায় মাঈশা এবং তার ইয়াইশ ভাই মিলে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। আমাকে মাঈশা গাড়িতে ওঠার আগে মেসেজ দিয়ে বললো, চিন্তা করোনা বাবু আমি খুব জলদি তোমার বুকে ফিরে আসব। যাই হোক, আমি তোমাকেই বিয়ে করব। এ বলে মাঈশা চলে গেল চট্টগ্রাম।

১০জুন রাতের ১২টার পর, মাঈশা আর আমার কথোপকথন হচ্ছিল। সেদিন আমরা একে-অপরকে সাহস দিচ্ছিলাম। বিয়ে যেন না হয় অথবা ঠিক হয়ে গেলে যেন আমরা পালিয়ে যাই অথবা পরিবারকে জানাই। এমন করতে করতে বিয়ের বিষয়টি আমি সিরিয়াসলি নিয়ে ফেললে মাঈশাকে আমি বকা দিই এবং পাগলামি শুরু করি। তখনো আমার মন বলছিল তাকে চট্টগ্রাম যেতে দেওয়া উচিত হয়নি। মাঈশা অনেক ক্লান্ত ছিল আর ফুফির সাথে রাতে ঘুমাবে তাই আমার সাথে মেসেজ কিংবা কল দিয়ে কথা বলার মত সুযোগ সে পাবে না। এখানে আমি সারারাত তার চিন্তায় ঘুমাতে পারিনি। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। তারপর আমি মাঈশা কে একটা মেসেজ দিয়ে রাখি, “গুড মর্নিং”। মাঈশা ঘুম থেকে ওঠে স্বাভাবিক ভাবে রেসপন্স করে এবং আমাকে সে একই কথা বলে। এরপর সে আমাকে বললো, শতান হড়িয়ার!!! মানে দুষ্ট ছেলে। আমাদের সম্পর্ক এমনই ছিল। আমাদের রাগ অভিমানের মধ্যেও একে অপরের জন্য ভালবাসা ছিল। আমরা ভবিষ্যত নিয়ে কোন কিছু চিন্তা করলে দুইজন মিলেই চিন্তা করতাম। কারণ, বিয়ের পরে দুইজনই সুখী হলে দুই পরিবারের সম্পর্ক ভাল থাকবে। এমন করতে করতে কেটে গেল সকাল থেকে প্রায় বিকেল পর্যন্ত। সেদন ছিল শুক্রবার, ১১ই জুন।

এখন মাঈশা বললো, বাবু আমার রেডী হতে হবে। রেস্টুরেন্ট বুক করেছে ছেলেপক্ষ। আমাকে রেস্টুরেন্টে নিয়ে যাবে ছেলেপক্ষকে দেখানোর জন্য। আমিও আর কথা না বাড়িয়ে মাঈশা কে বললাম, বাবু তুমি চিন্তা করো না কিছু হবে না। আমি আছি। আমি তো সরারাত ঘুমাইনি। তাই ঘুমিয়ে পড়লাম। বিকেলে মাঈশা রেস্টুরেন্টে যাওয়ার আগে আমার একাউন্টে লগ-ইন করে আমার একাউন্ট থেকে আমার অন্য একাউন্ট থেকে মেসেজ দিয়ে গেল। বললো, আমরা বের হচ্ছি, দোয়া করিও।

সেদিন আমি ঘুম থেকে ওঠলাম রাতের ৮টার পর। আমার ফোন নাম্বারে মাঈশার মেসেজ আসলো, “Cox e back kortesi ali vayar shate..tai online e ashte parbona..bashai giye tmk sob update diye dibo..tension nio na”। মেসেজটি আসে ৭টা:৫৬মিনিটে। এরপর আমি ফ্রেশ হতে উঠি। বাসায় ঢুকে বেশ কিছুক্ষন অনলাইনে সময় অতিবাহিত করতে করতে প্রায় সাড়ে ১১টা পার হলে আমার আপুনি বলে, ভাত দিচ্ছি খেয়ে নাও। আমি খেতে বসলাম। এমন সময় ফোনে নোটিফিকেশন আসল। মাঈশা কে ইন্সটাগ্রামে কেউ যেন মেসেজ রিকুয়েস্ট দিয়েছে। আমি বিষয়টি কে এত গুরুত্ব দিলাম নাহ। খাবার শেষ হওয়ার আগে আমাকে হঠাৎ করে ফেইসবুকে মাইশা মেসেজ দিল, বাবু আমি রামু পর্যন্ত আসছি, তুমি চিন্তা করিওনা, আগে খাবার খেয়ে নাও, আমি বাসায় এসে সব বলবো তোমাকে। আমি বললাম, আচ্ছা ঠিক আছে বাবু সবধানে আসো

তারপর আমি খাবার খেয়ে মাঈশার ইন্সটাগ্রামে ঢুকে মেসেজ রিকুয়েস্ট চেক করার পরে কলিজায় আঘাত লাগল। তার কাজিন নাবিলা দুটি ছবি দিয়েছে। ছবি দুটি দিয়ে মেসেজ যা দিয়েছিল তা এমন ছিল, “এখানে তো তোমার এঙ্গেজমেন্ট নিয়ে কথা চলতেসে”। ছবিগুলো ছিলো যে ছেলের সাথে বিয়ে হবে তার সাথে। এর মধ্যে আমাকে মাঈশা কিছু না বললেও আমি সব জেনে যাই এবং জেনেও না জানার মত ভাব নিয়ে তার মেসেজের জন্য অপেক্ষা করি।

মাঈশা আসলো ফ্রেশ হয়ে। তারপর বললো, আমি সব বলতেসি দাড়াও। এরপর সে মেসেগুলো দিল,

“Tarpor restaurant e gelam..cheler baba amder ke nich theke rcv korse..oikhane amr 2 ta fufi ar ali vaya gesilo..ar cheler side theke chele,cheler boro bon,cheler choto vai,ma,baba ar ekta ke jani ashce

Toh chele ekdom shesher seat

Md. Joynal Abedin Nirobhttps://www.dailybbcnews.com
Owner of dailybbcnews.com Bangladeshi news publisher. Please Don't Copy Our content without our permission. contact :- [email protected]
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments

Ahmed Joy on My Personal Photo
John Doe on TieLabs White T-shirt
Gerhard on Ninja Silhouette
Maria on Woo Ninja
Maria on Premium Quality
Maria on Woo Logo
Maria on Ninja Silhouette
Maria on Ship Your Idea
Maria on Woo Ninja
Maria on Woo Single #2
Maria on Happy Ninja
Maria on Happy Ninja
Ryan on Ship Your Idea
Stuart on Ship Your Idea
Stuart on Ship Your Idea
Stuart on Happy Ninja
Stuart on Flying Ninja
Coen Jacobs on Woo Album #3
Coen Jacobs on Woo Album #4
Coen Jacobs on Ninja Silhouette
Coen Jacobs on Flying Ninja
student on Ninja Silhouette
Magnus on Woo Logo
Magnus on Patient Ninja
Cobus Bester on Woo Single #2
Cobus Bester on Woo Ninja
Andrew on Premium Quality
Cobus Bester on Woo Logo
Andrew on Flying Ninja
Cobus Bester on Woo Album #2
Cobus Bester on Ship Your Idea
Andrew on Happy Ninja
Cobus Bester on Ninja Silhouette
Cobus Bester on Premium Quality
Cobus Bester on Patient Ninja
Cobus Bester on Flying Ninja
James Koster on Patient Ninja
James Koster on Woo Album #4
James Koster on Ship Your Idea